মোস্তফা মিয়া,পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধিঃ

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার হাট বাজার গুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সচেতন মহলের উদ্বেগ প্রকাশ।প্রকাশ, ঈদ উৎসবের আমেজে বদলে গেছে পীরগঞ্জে উপজেলার হাট বাজার গুলোর চিত্র। সামাজিক দুরত্ব না মেনে মার্কেট গুলোতে এখন কোলাহল মুখর এবং গাদাগাদি পরিবেশে চলছে ঈদের কেনাকাটা, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে এ সব দেখার কেউ নেই।
সরেজমিনে গত ২৬ জুলাই উপজেলা সদর সহ উপজেলার ভেন্ডাবাড়ী, টুকুরিয়া, খালাশপীর, চত্রা, মাদারগঞ্জ সহ বিভিন্ন হাট বাজারেই বিরাজ করছে এই অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে এ উপজেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশংকা করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সচেতন নাগরিক সমাজ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়, ২৫ জুলাই পর্যন্ত্য এ উপজেলায় সরকারি কর্মচারি,পুলিশ, সাংবাদিক ও ডাক্তারসহ ৭৬জন ব্যাক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়েছে এবং ৭ জন মৃত্যুবরনও করেছে।বর্তমানে ঘরের বাইরে জন সাধারনের মাক্স ব্যবহার বাধ্যতামুলক হলেও তার সঠিক বাস্তবায়ন পরিলক্ষিত হচ্ছে না। সন্ধ্যা ৭টার পর উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে শুধু উপজেলা সদরে ১ সপ্তাহ ধরে দোকান ও মার্কেট বন্ধ করাসহ মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হলেও উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের হাট বাজার গুলোতে প্রশাসনিক কোন তদারকি নেই বলে জানায় অনেকে। ফলে এ উপজেলায় ঈদের পর করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বৃদ্ধির আশংকা করছে সচেতন নাগরিক সমাজ।পীরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মাসুম আহম্মেদ বলেন, আমাদের শুধু পুলিশ দিয়েই ১৫টি ইউনিয়ন সামাল দেয়া সম্ভব নয়, তবুও আমরা চেষ্ঠা করে যাচ্ছি, এ যাবত কর্তব্য পালন করতে গিয়ে আমাদের ওসিসহ ১৬জন পুলিশ সদস্য করোনা আক্রান্ত হয়েছে। আমাদের পাশাপাশি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, চৌকিদারদের ও অগ্রনি ভুমিকা সহ সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেসবাহুল হোসেন বলেন, ইতিমধ্যে আমরা এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও হাট ইজারাদারদের নির্দেশনা দিয়েছি, এ ছাড়াও হাট বাজার গুলোতেও ভ্রাম্যমান আদালতের কার্যক্রম চালানো হবে। সচেতন নাগরিক সমাজ ঈদের পুর্ব মুহুর্তে স্বাস্থ্য বিভাগের সচেনতা ও প্রসাশনিক তৎপরতা জোরদার করার দাবি জানিয়েছে, নইলে আক্রান্তের সংখ্যা ভয়াভহ আকার ধারন করতে পাওে বলে আশংকা করছে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২৭ জুলাই ২০২০/ইকবাল